নাম তার তুহিন আহমেদ খান, যিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন তৃণমূল এবং ত্যাগী কর্মী।তিনি ১৯৭৫ সালের ১০ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানায় এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা এবং মা ছিলেন গৃহিনী।পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে তুহিন তৃতীয়।কোটালীপাড়া পাবলিক ইনষ্টিটউশন ( মডেল) স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন এবং ঢাকা নিউ মডেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্টার এবং ডিগ্রী পাশ করেন।ছোটবেলা থেকেই তিনি মিছিল রাজনৈতিক মিছিল এ যেতেন এবং এতে তিনি অনেক আনন্দ পেতেন।তখন থেকেই তিনি মনে মনে ঠিক করেছিলেন বড়ো হয়ে তিনি একজন রাজনীতিবিদ হবেন।ছোটবেলার স্বপ্নকে মনের ভিতর লালন করে ১৯৯৩ সাল থেকে তার মোটামুটি রাজনৈতিক পদচারণা শুরু হয় এবং তিনি বিএনপি তে যুক্ত হন।সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী ভাইয়ের হাত ধরেই তার ছাত্র রাজনীতিতে আসা । ঐ তিনি নিউ মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৫-৯৬ ছাত্র দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।আওয়ামী শাসন আমলে তাকে অনেক কিছুর ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। নিজ গ্রামে দীর্ঘ ১২ বছর যেতে পারেননি। তাকে নানানভাবে হুমকি দেয়া হতো। সোস্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে অনেক বাজে কথা বলা হয়েছে। ২০১৮ নির্বাচনে তিনি ১৭ দিন ঢাকার বাসায় থাকতে পারেননি । দুই বেলা তার বাসায় ডিবি পুলিশ যেত । সেই সময়টা অনেক কষ্টে জীবন পার করেছন তিনি ।দলের দুঃসময়েও তিনি বিভিন্ন মিছিল মিটিং এ যেতেন এবং রাজনৈতিক প্রোগ্রামে সক্রিয় ছিলেন । নীতির কাছে কখনো তিনি সেক্রিফাইস করেননি । এটাই তিনি মনে করেন দলের জন্য সবচেয়ে বড় কিছু করা।একজন প্রকৃত রাজনীতিবিদের সবচেয়ে বড় গুণ থাকা প্রয়োজন যে নিজের স্বার্থের দিকে না তাকিয়ে জনগণের স্বার্থ দেখা । কি করলে জনগণের উপকার হবে সেটাই করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।রাজনীতি নিয়ে তার ভবিষ্যত স্বপ্ন সম্পর্কে বলেন, একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে আমার স্বপ্ন আমি আমৃত্যু মানুষের সেবা করে যেতে চাই এবং বর্তমানে দেশের এই পরিস্থিতিতে বলবো দেশের জনগণ যেনো ধৈর্য ধারণ করেন। সময়ের সাথে সাথে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। প্রতিটি দলের উচিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কে সহযোগিতা করা। যাতে তারা সুন্দর একটি অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারেন।