দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন করায় দেশ টিভি ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ওরিয়ন গ্রুপের করা মানহানি মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করে প্রতিকার চাইতে পারেন। তা না করে মামলা করা গণমাধ্যমর কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা মাত্র। অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার কথাও বলেন তারা।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন- ডিইউজের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করাই সাংবাদিকের কাজ। মামলা করে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা যাবে না। আমরা সাংবাদিকদের পাশে সবসময় আছি। প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে কোনো সাংবাদিককে তলব করা যায় না। আদালতকে এ মামলা খারিজ করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সভাপতির বক্তব্যে ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ বলেন, দেশ টিভির সাংবাদিক ফারুক হোসেনসহ ২ জনের বিরুদ্ধে ৭শ কোটি টাকা এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক মাহমুদ শরীফসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছে ওরিয়ন গ্রুপ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য ও দৈনিক কালবেলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জাকির হোসেন লিটনকে সংবাদ প্রকাশের জেরে তলব করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা ও সংবাদ প্রকাশের জেরে তলবের প্রতিবাদ জানাতে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।মানববন্ধনে ডিআরইউ সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহর সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন, ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন, সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম শামীম, অর্থ সম্পাদক মো. জাকির হুসাইন, দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, নারী বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদা ডলি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুশান্ত কুমার সাহা, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. রাশিম (রাশিম মোল্লা), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন ও কল্যাণ সম্পাদক মো. তানভীর আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য সাঈদ শিপন, মুহিববুল্লাহ মুহিব, দেলোয়ার হোসেন মহিন ও মো. শরীফুল ইসলাম।আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বাছির জামাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি শারমীন রিনভী, ল রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি শামীমা আক্তার, ডিআরইউর সাবেক নারী বিষয়ক সম্পাদক তাপসী রাবেয়া আঁখি, সাবেক প্রচার সম্পাদক মাইদুর রহমান রুবেল, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির সহযোগী সম্পাদক শামীম জাহেদী, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির সিনিয়র রিপোর্টার মাহমুদ শরীফ ও শাহেদ সিদ্দিকী, ডিআরইউ সদস্য গাজী আব বকর, সৈয়দ আখতার সিরাজী ও শফিকুল ইসলাম।