ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, বিগত ১৬ বছর দেশের জনগণ পরাধীনতার শেকলে আবদ্ধ ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, এই সময়কালে যারা শাসন করেছে, তারা দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে ফেলেছে এবং দেশ থেকে অর্থ পাচার করে দেউলিয়া করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, “বর্তমান শাসকগোষ্ঠী সর্বত্র জুলুম ও নির্যাতনের রাজত্ব কায়েম করেছে। আমাদের এখন দায়িত্ব হল, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করা।”
তিনি আরও বলেন, “দেশবাসীর স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা একটি সুষ্ঠু ও উন্নত সমাজ গড়তে চাই, যেখানে মানুষের অধিকার ও মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে।”
রোববার বিকেলে রাজধানীর আদাবর সুনিবীড় হাউজিং সোসাইটি ৪০ ফিট মেইন রোডে গণহত্যার বিচার এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করার দাবিতে অনুষ্ঠিতব্য গণসমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, স্বঘোষিত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারা দেশে বিভিন্ন মন্দির ও থানা পাহারা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা। সহিংসতার রাজনীতি বিশ্বাস করে না আমার দল। ভারত বাক-স্বাধীনতার নামে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিরুদ্ধে কটূক্তি করে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তাই বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আন্তর্জাতিক আদালতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে।
সংগঠনের আদাবর থানা শাখার সভাপতি সাদেকুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশ প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন দলের সরকারি মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, নগর উত্তর সহসভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম নাইম, যুবনেতা হাফিজুল হক ফাইয়াজ প্রমুখ।