গ্যাস্ট্রিক নিজেদেরই তৈরি করা একটি সমস্যা। কেন এই সমস্যা হয় এবং খাওয়ার পর গ্যাস বা অম্বলকে কীভাবে এড়ানো যায় তার জন্য কার্যকরী কিছু পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। কোলনের ইন্টারনাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ডা. ইয়োর্গেন স্ল্যুইটারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনি তিন বেলার খাবারকে ভাগ করে ছয়বার খান তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত ঝাল, চর্বি, মসলা, মিষ্টি, অর্থাৎ যেসব খাবার আপনার হজম করতে সমস্যা হয়, সেগুলো খাবার আপনার তালিকা থেকে সরিয়ে দিন। হালকা খাবার খান । যেমন আপনার খাবারের তালিকায় থাকতে পারে মাছ, অল্প মাংস, সবজি, আলু ইত্যাদি৷খালি পেটে ফলের রস বা টক জাতীয় খাবার একেবারেই নয় ৷স্ট্রেস বা মানসিক চাপের ফলে পেটে অ্যাসিড প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, তাই যতটুকু পারি চাপ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।ধূমপান করেন৷ কিন্তু নিকোটিন অন্ত্রের খাবার মলদ্বারের রাস্তায় যে পথ দিয়ে যায়, সেটিকে দুর্বল করার ক্ষেত্রে ফেলে ৷ শরীরের ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধার কারণে পেটে অ্যাসিড উৎপাদন হয়, তাই ধুমপান পরিহার করা অতীব জরুরী। উপরের ভাগ থেকে আমরা বুঝলাম গ্যাস্ট্রিক কোন রোগ নয় । এটি আমাদের নিজেদেরই তৈরি করা একটি সমস্যা। তবে কোরআনে এই গ্যাস্টিক বা গ্যাস্টাইটিস কথা উল্লেখ রয়েছে। এবং এর একটি ১০০% কার্যকারী ও প্রাকৃতিক ঔষধের কথাও রয়েছে। আল্লাহ তাআলা ১৪০০ বছর আগে কুরআনুল কারিমের সুরায়ে তওবা এর ভেতর, বিশ্ব নবীর মাধ্যমে গ্যাস্টিক ও মেথি সম্পর্কে জানিয়ে দেন।যদি কোন মানুষ প্রতিদিন কালি পেটে ১০-১২টা মেথি খেতে পারে, তার গ্যাস্ট্রিক সারা জীবনের জন্য জন্য বিদায় নিবে ইনশাআল্লাহ। বি:দ্র: গর্ভবতী মহিলারা খেলে গর্ভপাত হতে পারে।
প্রতিবেদক :রাসেল