অপরিণত বিবাহ বা বাল্যবিবাহ আমাদের দেশে নানা ধরনের সামাজিক সমস্যার মধ্যে শিশু বিবাহ বা বাল্যবিবাহ অন্যতম কঠিন সামাজিক সমস্যা হিসেবে স্বীকৃত। অসহায়,দারিদ্র আবার অনেক সময় সংস্কারের ফলে সারাদেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাল্যবিবাহ হচ্ছে। ১৯২৯ সালে বাল্যবিবাহ নিরোধক আইন পাশ হয়।যার ফলে মেয়েদের বিবাহের এবং ছেলেদের বিবাহের নূন্যতম বয়স ১৪ ও ১৮ ধায হয়। বতমানে দেশে এই বয়সের সীমা পাল্টে মেয়েদের ১৮ ও ছেলেদের ২১ বছর নিদিষ্ট করা হয়েছে। নিদিষ্ট শারীরিক কাঠামো গড়ে ওঠার আগেই অল্প বয়সের বিবাহকে অপরিণত বিবাহ বা বাল্যবিবাহ বলা হয়।সামাজিক নানা কুসংস্কার দারিদ্রতা ও শিক্ষার অভাবের জন্য বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা ঘটে চলেছে।বাল্যবিবাহে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের উপরই প্রভাব পড়ে।তবে মেয়েদেরই বেশি সমস্যা হয়।মাধ্যমিক পাশ করলেই মেয়েদের জোর করে বিবাহ দেওয়া গ্রাম অঞ্চলের মানুষের স্বভাবে পরিণত হয়েছে। বাল্যবিবাহ বৃদ্ধির সাথে নারী শিক্ষার হার ও কমে যাচ্ছে। মৃত্যু ঘটছে নবজাতক শিশু ও তাদের মায়ের।পুষ্টির অভাবে অনেক শিশুই বিকলঙ্গ হয়ে পড়ছে।বাল্যবিবাহের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের হার ও বেড়ে গেছে।বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। রেডিও, টিভি, সংবাদপত্রের পাশাপাশি সমাজের শিক্ষিত মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এর কুফল সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। বতমানে পশাসনের সহায়তায় বহু বাল্যবিবাহ রোধ করা সম্ভব হয়েছে। পশাসনের পাশাপাশি সরকার ও সমাজকল্যাণ মূলক সংস্থাগুলি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ালে বাল্যবিবাহ কে দ্রুত রোধ করা যাবে। বতমান সমাজে বাল্যবিবাহ একটি মারাত্মক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।