সমবয়সী সম্পর্ককে সবাই ভালো ভাবে নেওয়ার চেয়ে খারাপ ভাবে নেয়। সমবয়সী সম্পর্কের কথাটি সবাই শুনলে সবার আগে যে কথাটি মাথায় আসে এই সম্পর্কের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। সমবয়সী সম্পর্কগুলো অনেক সুন্দর হয়। কারণ একে অপরকে বুঝতে যেমন সুবিধা হয়, ঠিক তেমনি যতই তাড়াতাড়ি ঝগড়াবাদে আর ঠিক ততই তাড়াতাড়ি মিল ও হয়ে যায়। আবার,সমবয়সী সম্পর্ক মানে এক সাথে পাশাপাশি হেঁটে,দুইজন দুইজন এর দিকে তাকিয়ে মুঁচকি মুঁচকি হাঁসা, আর এই হাঁসির মাধ্যমেই একটি অসম্ভব সুন্দর মহূর্ত সৃষ্টি করা। এখানে, রোমাঞ্চকর মহূর্তগুলো বেশি থাকে। আবার অনেকে বলে যে ছেলের বয়স মেয়েটির বয়স থেকে বেশি হলে ছেলেটিকে ধরে ধরে বুঝাতে হয়না। এখানে, আমি একটি উদাহরণ দিতে পারি? মনে করুন একটা জুটি পাকে গিয়েছে ঘুরতে, যেখানে স্বামী স্ত্রীর থেকে পাঁচ বছরের বড়। সেখানে একটি দোলনা আছে দোলনাটিতে স্ত্রীর উঠে দোল খেতে খুব ইচ্ছে করছে, যখন এই কথাটি স্ত্রী তার স্বামীকে জানায়, তখন তার স্বামী তাকে বলে যে, এখন দোল খেলে লোকে বলবে যে এই বয়সে স্ত্রীকে নিয়ে ভীমরতী ধরেছে। এইভাবে নিরবে হারিয়ে যাই স্ত্রীর বিভিন্ন ইচ্ছা।
উদাহরণ শেষে বলতে পারি যে, সমবয়সীর সম্পর্কের জুটিদের ইচ্ছে গুলো একইরকমই হয়। আসলে বিবাহে বয়স,উচ্চতা বা ওজন ঠিক ওতটা গুরুত্বপূর্ণ নই। যতটা গুরুত্বপূর্ণ বোঝাপড়া বা বন্ধুত্ব,কারণ বিবাহটি আপনে মানুষের সাথে করবেন তার বয়স, উচ্চতা ও ওজন এর সাথে নই। এক সময়ে দেখা গিয়েছে যে, যারা বিবাহের আগে একে অপরের বন্ধু ছিল পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে তারাই সবচেয়ে খুশি ও আনন্দে রয়েছে। মূলত সম্পর্কে বয়স বিষয়টা কোনো জরুরি বিষয় না, তাই সবথেকে বেশি জরুরি সেইটা হলো বন্ধুত্ব,এবং মনের মিল।যে আপনাকে বুঝতে পারবে, যার সাথে নিরদ্বিধায় সবকিছু শেয়ার করতে পারবেন, যদি এমন কাউকে পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার তাকেই বিয়ে করা উচিত।