“আবুল ও বাবুল দুই ভাই। তাদের বাবা মা মারা যান ছোট বেলায়, বড় ভাই আবুল সংসারে হাল ধরতে অল্প বয়সে চাকরি নেন একটা মিলে। ছোট ভাইকে শিক্ষিত করে তুলে।আজ তারা দুই ভাই ই বিবাহিত, বাবুল চাকরি সুবাদে শহরে বিয়ে করে। দুই ভাই এক সাথে গ্রামেই বসবাস করে।একদিন আবুলের হাত মেশিনে ঢুকে গেলে মারাক্তক ভাবে আহত হয়ে হাত চিরতরে পঙ্গুত হয়।এদিকে আবুলের স্ত্রী অন্তত সত্তা। তাই পরিবারের সম্ত প্রেসার পড়ে ছোট ভাই বাবুলের কাধে। ছোট ভাই বাবুলের শাশুড়ি আর বউ দুজনে আবুলের বেকারত্বটা মেনে নিতে পারছে না, ফলে তারা দুজন সংসারে নানান ধরনের অশান্তি সৃষ্টি করতে থাকে এক পর্যায়ে সংসার থেকে আলাদা করে বাবুলের শাশুড়ির বাড়িতে নিয়ে আসে। বউ শাশুরীর কারনে বাবুলও তার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে বউয়ের নামে নতুন একটি বাড়ি তৈরি করে। অন্যদিকে আবুল অনেক কাজ খোঁজার চেষ্টা করে কিন্তু পায় না অবশেষে স্ত্রীর গয়না বিক্রি করে ছোট্ট একটি মুদি দোকানের ব্যবসা শুরু করে। এদিকে বাবুল তার ভাই আর ভাবীর কোন খোঁজ রাখে না! কিছুদিন পর দেখা যায় বাবুলের শাশুড়ি এবং বউ বাবুল কে তেমন পাত্তা দেয় না। এনিয়ে প্রায় তাদের সংসারে ঝগড়াঝাঁটি লেগে থাকে। বাবুল বুঝতে পারে তার বউ অন্য কারো সাথে সম্পকে জড়িয়ে গেছে। একদিন গুলো নিয়ে হাতাহাতিও হয়। বাবুলের স্ত্রী ও শাশুড়ী বাবুলের নামে নারী নির্যাতনের মামলা করে। বাবুল জানতে পারে যাদের সে বউ শাশুড়ী বলে এতো দিন জানতো তারা আসলে নিজের মা – মেয়ে নয়। তারা বিভিন্ন সময় এরকম প্রতারণা করে মানুষের সর্বস্য হাতিয়ে নেয়। বাবুল নারী নির্যাতন মামলায় দুই বছর জেল খাটে।এবং তার চাকরি, এবং জমি বাড়ি সব কিছু হারায়। এদিকে একে একে ৭ বছর কেটে যায়! বাবুল একদিনের জন্য বড় ভাই আবুলের কোন খোজ নিতে পারে নাই। পারেনাই অন্তস্বত্তা ভাবির খোজ নিতে! বাবুল তার চোখে সরিষা ফুল দেখে, সে ভুল বুঝতে পেরে গ্রামে ফেলে আসা বড় ভাই বাবুলের কাছে যায় তার অন্যায়ের প্রাশ্চিত্ব করে মাফ চাইতে, বাবুল মনে করেছিলো তাকে তার ভাই ভাবী হয় তো কোন দিন মাফ করবে না! অসাধারণ গল্প এবং চিত্র নাট্য, পরিচালনা করেছেন, নাজমুল হুদা নাজিম, অভিনয় করেছেন বর্তমান সময়ে কালবেলা অনলাইন পত্রিকায় ব্যপক ভাইরাল অভিনেত্রী আনিকা আশরাফ জয়িতা, নাজিম উদ্দিন, সোয়েতা ইসলাম, ফাইজুর মিল্টন, আশা মজিদ রোজি, এবং শিশু শিল্পী সাওদা ইশতিয়াক সহ অনেকে। এই নাটক দেখে দর্শকের মনে দাগ কেটেছে।