নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মা-মেয়েকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসান (৪২) ও হারুন (৩০) নামে দুজন অভিযুক্তকে আটক করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ।গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের চরবালুয়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।ভুক্তভোগী নারী জানান, তার স্বামী কাভার্ড ভ্যানচালক। বাড়িতে তিনি তার মেয়ে (১৭) ও এক দেবরসহ (২১) থাকেন। তাদের বাড়ির কাছাকাছি তেমন কারও বাড়িঘরও নেই। গত রোববার রাত ১১টার দিকে একই ইউনিয়নের রাশেদ, সাইফুল, হাসান, হারুন, রাজু ও ইব্রাহিম তাদের বাড়িতে আসে। তারা ঘরের দরজা খুলে ভেতরেে তার দেবরের মুখ, হাত-পা বেঁধে রাখে। পরে মেয়েসহ তাকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়।এ সময় যুবকদের মধ্যে তিনজন তাকে টেনে নিয়ে যায় বাড়ির পুকুরপাড়ে। আর অপর তিনজন মেয়েকে বসতঘরের পাশের রান্নাঘরের সামনে নিয়ে যায়। সেখানে রাত তিনটা পর্যন্ত তাদের ধর্ষণ করে ওই যুবকরা। যাওয়ার সময় ঘর থেকে টাকাপয়সাসহ জিনিসপত্রও লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য হুমকিও দিয়ে যায় তারা, যোগ করেন ভুক্তভোগী।ঘটনার পরদিন সকালে বিষয়টি স্থানীয় সমাজ নেতৃবৃন্দদের জানান এবং তাদের কাছে ঘটনার বিচার চান ওই নির্যাতিত নারী। কিন্তু সমাজপতিরা বিচারের নামে টালবাহানা করতে থাকেন। পরে বাধ্য হয়ে তিনি শনিবার বিকেলে স্থানীয় চর বালুয়া পুলিশ ক্যাম্পে গিয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন।এ ব্যাপারে চরবালুয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাদাত বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হাসান ও হারুনকে আটক করা হয়েছে।কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুস সুলতান বলেন, এ ঘটনায় ছয়জনের নামে ভুক্তভোগী অভিযোগ দিয়েছিলেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে।