র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল, ও সিপিএসসি, র্যাব-১৩, রংপর ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানা এলাকা থেকে রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার অপহরণকৃত ভিকটিম উদ্ধার ও এজাহারনামীয় ১নং আসামী গ্রেফতার*১। রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার বাসিন্দা ভিকটিমের মাতা জানান যে, ভিকটিম মাদ্রসায় আসা যাওয়ার পথে ১নং বিবাদী মোঃ রমজান আলী (২২), পিতা- মোঃ আব্দুল জলিল, সাং-রামচন্দ্রপুর বালাপাড়া, থানা-কাউনিয়া, জেলা-রংপুর বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব সহ বিভিন্ন ভাবে উত্তক্ত করে। উক্ত বিষয়টি ভিকটিম তার পরিবার কে জানালে তার পরিবার ঘটনার বিষয়টি ১নং বিবাদীর পরিবারকে জানায়, তারা ১নং বিবাদীকে শাষন না করে আমাদের ক্ষতি করার সুযোগ খুজতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ মার্চ ২০২৫খ্রি. তারিখ সকাল অনুমান ০৭.০০ ঘটিকায় ভিকটিম কাউনিয়া থানাধীন একটি কোচিং এ পড়তে যায়। একই তারিখ সকাল অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম কোচিং এ বই রেখে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কোচিং এর সামনে কাঁচা রাস্তায় আসলে ১নং আসামীসহ অন্যান্য আসামীর সহযোগীতায় ভিকটিমকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনা স্থানীয় জনগন ভিকটিম এর পরিবার কে জানালে ভিকটিমের পরিবার ভিকটিমের মাতা মোছাঃ জাহেদা বেগম বাদী হয়ে রংপুর জেলার কাউনিয়া থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। যা কাউনিয়া থানার মামলা নং-০৬/২৭, তারিখ ১৪/০৩/২০২৫ ধারা ৭/৩০, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০২০) । উক্ত ঘটনার বিষয়ে র্যাব-১৩, সিপিএসসি রংপুর, কে অবগত করলে তারা গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ১নং বিবাদী মোঃ রমজান আলী (২২), ভিকটিমকে অপহরণ করে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানাধীন গোরাই এলাকায় অবস্থান করতেছে। এ প্রেক্ষিতে র্যাব-১৩, সিপিএসসি রংপুর, ক্যাম্প কর্তৃক সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল, কে অবগত করলে উক্ত কোম্পানি গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। উক্ত নজরদারি ভিত্তিতে ১৬ মার্চ ২০২৫খি. তারিখ রাত আনুমানিক ৯:২০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানাধীন গোরাই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় ১নং আসামী মোঃ রমজান আলী (২২) পিতা-মোঃ আব্দুল জলিল, সাং-রামচন্দ্রপুর বালাপাড়া, থানা-কাউনিয়া, জেলা-রংপুর‘কে গ্রেফতার এবং ভিকটিম উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।৩। উদ্ধারকৃত ভিকটিম এবং গ্রেফতারকৃত আসামীকে রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তরের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।