দুবাইয়ে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালু সহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা চলছিল। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগরীর বিশেষ জজ আদালত, ঢাকা, এসএম জিয়াউর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন। অপর দুই আসামি হলেন আরএকে সিরামিকস লিমিটেডের ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এ কে ইকরামুজ্জামান এবং স্টার সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান।আসামিদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাসুদ আহমেদ তালুকদার, যিনি আদালতে অব্যাহতির আবেদন জানান। অপরদিকে, দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মীর আহাম্মদ আলী সালাম, যিনি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পক্ষে ছিলেন।শুনানি শেষে আদালত মতামত দেন যে, আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণাদি নেই, যার ভিত্তিতে তাদের অব্যাহতির আদেশ দেয়া হয়।আসামিদের মধ্যে ইকরামুজ্জামান ও আনোয়ারুজ্জামান জামিনে ছিলেন। মোসাদ্দেক আলী ফালু পলাতক ছিলেন। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।সম্প্রতি তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। এদিন শুনানির সময় তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।২০১৯ সালের ১৩ মে উত্তরা পশ্চিম থানায় ফালু ও অন্য তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুবাইয়ে ১৮৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফালু ও অন্য তিন ব্যবসায়ী আরএকে সিরামিকস ও রাখেন ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির এমডি এস এ কে একরামুজ্জামান, স্টার সিরামিকস লিমিটেডের পরিচালক সৈয়দ এ কে আনোয়ারুজ্জামান এবং পরিচালক ম. আমির হোসাইন দুবাইতে ২০১০ সালে আল মদিনা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, ট্রাই স্টার লিমিটেড ও ডেভেলপমেন্ট ইইউই নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে দেশ থেকে ১৮৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা পাচার করেন।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।