জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে দেশের ৫৪ বছরের নির্বাচনি ব্যবস্থা কলঙ্কমুক্ত হবে। অতীতে যত নির্বাচন হয়েছে, সবই ছিল বিতর্কিত। পিআর পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে কোনো ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি হবে না। আর যদি এই পদ্ধতি কার্যকর না হয়, তবে দেশে আবারও আওয়ামী ফ্যাসিজমের পুনরাবৃত্তি ঘটবে।শুক্রবার রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, পৌর আমির মাওলানা ইব্রাহিম, উপজেলা সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনসহ দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসাইনসহ সাংবাদিকরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।ডা. তাহের বলেন, সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। তবে একটি দল এ পদ্ধতির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তারা মনে করছে নির্বাচনে বিজয়ী হবে, কিন্তু এ গ্যারান্টি কে দিয়েছে? আওয়ামী লীগের স্টাইলে নির্বাচন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন জনগণ পূরণ হতে দেবে না।তিনি আরও বলেন, আরেকটি জরিপে প্রমাণ হয়েছে যে জামায়াতসহ ইসলামী দলগুলোর প্রতি দেশের মানুষের আস্থা বাড়ছে। জনমত জরিপে জামায়াত এগিয়ে রয়েছে এবং সমমনা অন্যান্য ইসলামিক দল ও এনসিপিও জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। বিপরীতে অন্য একটি রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা কমছে।আগামী নির্বাচনে জোট গঠনের ইঙ্গিত দিয়ে ডা. তাহের বলেন, “আমাদের জরিপ যেভাবে এগোচ্ছে, আগামী দিনে আমরা আরও এগিয়ে যাবো।”সংস্কার ও ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াত সবসময় নিরপেক্ষ নির্বাচনের পক্ষে। তবে তার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিচার কার্যক্রম দৃশ্যমান করতে হবে। এরপর যখনই নির্বাচন হবে, জামায়াতের কোনো আপত্তি নেই।