দৈনন্দিন জীবনে নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য কালোজিরার গুরুত্ব অপরিসীম। কালো জিরবার উপাদানগুলো যদি আপনি খুঁজে দেখেন তাবে মধ্যে পাবেন আমিষ ২১, শতাংশ, শর্করা ৩৮ শতাংশ, ভেষজ তেল ও চর্বি ৩৫ শতাংশ। এছাড়াও ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ আছে। প্রতি গ্রাম কালিজিরা পুষ্টি উপাদান হলো-প্রোটিন ২০৮ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন বি১- ১৫ মাইক্রোগ্রাম, নিয়াসিন ৫৭ মাইক্রোগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১.৮৫ মাইক্রোগ্রাম, আয়রন ১০৫ মাইক্রোগ্রাম, ফসফরাস ৫.২৬ মিলিগ্রাম, কপার ১৮ মাইক্রোগ্রাম, জিংক ৬০ মাইক্রোগ্রাম। পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক এসিড, অলিক এসিড, ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান যা সকল রোগের বসত ভিটা ভেঙে দিতে কালোজিরাই যথেষ্ট। কালোজিরা সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লামের অনেকগুলো হাদিস থেকে একটি হাদিস :হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেনঃ কালোজিরা মৃত্যু ছাড়া যাবতীয় রোগের ঔষধ (সহীহুল বুখারী, হাদীস নং ৫৬৮৮)বিজ্ঞানী গবেষণ :১৯৬০ সালে মিসরের গবেষকরা নিশ্চিত হন যে, কালো জিরায় বিদ্যমান নাইজেলনের কারণে হাঁপানি উপশম হয়।জার্মানি গবেষকরা বলেন, কালো জিরার অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-মাইকোটিক প্রভাব রয়েছে। এটি বোনম্যারো ও প্রতিরক্ষা কোষগুলোকে উত্তেজিত করে এবং ইন্টারফেরন তৈরি বাড়িয়ে দেয়। আমেরিকার গবেষকরা প্রথম কালো জিরার টিউমারবিরোধী প্রভাব সম্পর্কে মতামত দেন। শরীরে ক্যান্সার উত্পািদনকারী ফ্রি-রেডিক্যাল অপসারিত করতে পারে কালিজিরা।বি: দ্রা: গর্ভবতী মহিলা ও একেবারে ছোট বাচ্চাদেরকে খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।গর্ভবতী মহিলারা খেলে গর্ভপাত হতে পারে।